দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কক্সবাজারে ‘আল-গণি’ রেস্টুরেন্টের বারবিকিউ খেয়ে অন্তত ৩০ জন পর্যটক ফুড পয়জনিংয়ে আক্রান্ত হয়ে জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। আক্রান্তরা সবাই রাজশাহী টিচার্স ট্রেনিং কলেজের শিক্ষক বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার (১৫ মে) রাত সাড়ে ১১টার পর থেকে একে একে অসুস্থ পর্যটকরা হাসপাতালে আসতে শুরু করেন বলে জানান কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. তানবী জান্নাত।
তিনি বলেন, রোগীরা বমি, ডায়রিয়া ও পেটব্যথার উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসেন। তাদের সবাই ফুড পয়জনিংয়ে আক্রান্ত ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, গুরুতর অসুস্থ ১২ জনকে ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছিল। পরে শনিবার দুপুর নাগাদ শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে তাদের হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।
চিকিৎসা নেওয়া পর্যটকদের একজন আব্দুল মোমিন জানান, রাজশাহী টিচার্স ট্রেনিং কলেজের ১৩০ জন শিক্ষকের একটি দল কক্সবাজারে ভ্রমণে এসেছিলেন। তাদের মধ্যে ৩০ জন শুক্রবার রাতে কলাতলীতে অবস্থিত ‘আল-গণি’ রেস্টুরেন্টে বারবিকিউ খান।
তিনি বলেন, যারা বারবিকিউ খেয়েছিলেন, তারা প্রায় সবাই অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে কিছুটা সুস্থ বোধ করি।
আরেক পর্যটক মশিউর অভিযোগ করেন, খাবার খাওয়ার পরপরই অনেকের বমি, পেটব্যথা ও ডায়রিয়া শুরু হয়।
তিনি বলেন, এতে বোঝা যায় খাবারের মান ঠিক ছিল না। প্রশাসনের উচিত বিষয়টি তদন্ত করা।
ভুক্তভোগীরা জানান, শনিবার দুপুরে তারা ট্রেনে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন এবং সেখানে গিয়ে পরবর্তী চিকিৎসা নেবেন।
এ ঘটনায় ‘আল-গণি’ রেস্টুরেন্টের মালিক মোহাম্মদ রুবেলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, তাদের বারবিকিউ নয়, সৈকত এলাকায় খাওয়া কাঁকড়া থেকেই পর্যটকরা অসুস্থ হয়েছেন।
জে আই